========
রাসূলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন-
১। যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিন সূরায়ে কাহাফ তেলাওয়াত করবে, কিয়ামতের দিন তার আপাদমস্তক এমনকি আসমান জমিন পর্যন্ত আলোকিত হবে এবং দুই জুমুয়ার মধ্যবর্তী সময়ের সকল গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। (তাফসিরে দূররে মনসুর)
২। যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিনে সূরায়ে কাহাফ তেলাওয়াত করবে একসপ্তাহ পর্যন্ত সে ব্যক্তি সমস্ত ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে এমনকি দাজ্জালের ফিতনা থেকেও মাহফুজ বা বেঁচে থাকতে সম হবে। (তাফসিরে দুররে মনসুর)
৩। যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম ও শেষ আয়াতগুলো তেলাওয়াত করবে, তার জন্য তার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটি নূর হয়ে যাবে এবং যে ব্যক্তি সম্পূর্ণ সূরা তেলাওয়াত করবে তার জন্যে জমিন থেকে আসমান পর্যন্ত নুর হয়ে যাবে।
৪। কোন কোন রেওয়ায়েতে বর্ণিত আছে যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিন সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার পা থেকে আকাশের উচ্চতা পর্যন্ত নূর হয়ে যাবে, যা কিয়ামতের দিন আলো দেবে এবং বিগত জুমুয়া থেকে এই জুমুয়া পর্যন্ত তার সব গোনাহ মাফ হয়ে যাবে।
৫। যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে, সে আটদিন পর্যন্ত সর্বপ্রকার ফিতনা ফাসাদ থেকে মুক্ত থাকবে। যদি দাজ্জাল বের হয়, তবে সে তার ফিতনা থেকে মুক্ত থাকবে। (এসব রেওয়ায়েত ইবনে কাসীর থেকে গৃহীত)
৬। যে ব্যক্তি সূরায়ে কাহাফের প্রথম তিন আয়াত তেলাওয়াত করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে মাহফুজ থাকবে। (মিশকাতশরীফ)
0 মন্তব্যসমূহ